ঢাকার একটি ফ্ল্যাট বাসার ঘটনা । ঐবাসারএকটি ফ্ল্যাটের ছেলের সাথে অন্যফ্ল্যাটেরএকটি মেয়ের রিলেশন ছিল ।বিষয়টি তাদের পরিবারজেনে যায় । ছেলের সাথে মেয়েরদেখা সাক্ষাত্ বন্ধহয়ে যায় । মোবাইলেতাদের কথা হতো ।একরাতে তারা সিদ্ধান্তনিলো রাতে যখন পরিবারেরসবাই ঘুমিয়ে পড়বে, তখনতারা ছাদে গিয়ে একজনআরেকজনের সাথে দেখা করবে ।মেসেজেরমাধ্যমে মেয়েটা সময় জানিয়ে দেবে ।নির্ধারিতদিনে সন্ধ্যাবেলা মেয়েটা ছেলেকে মেদিয়ে বলে যে ," বাসায় একটুসমস্যা হয়েছে । আজদেখা করতে পারবো না । অন্যদিনদেখা করবো ।"সময় যেতে লাগলো । হঠাত্ রাত ৯টার পরমেয়েটা আবার ছেলেকে মেসেজদিয়ে বলে ,"ঝামেলা মিটে গেছে । ১টারদিকে ছাদে চলে এসো ।"ঠিক আছে , ছেলে তো মহাখুশী !! ছেলেরবাসার সবাই১১টার দিকে ঘুমাতে চলে গেল ।ছেলে আরেকটুঅপেক্ষা করে রাত ১২:৩০ এছাদে চলে এলো ,যাতে মেয়েটাকে চমকে দিতে পারে !রাতের আকাশে হালকা চাঁদেরআভা ছিলো ।মেঘলা একটা ভাব আকাশজুড়ে ।ঠান্ডা বাতাসে শরীর জুড়িয়ে যায় ।ছেলেটা অপেক্ষা করতে লাগলো । ঘড়িরকাঁটা ১টা পার হলো ।মেয়ে যে আসেনা !!ছাদে একটা বিশাল বড়ট্যাঙ্কি ছিলো সিমেন্টের ।হঠাত্ ট্যাঙ্কির পিছনেরখোলা জায়গাতে একটা খসখস শব্দ !ছেলেটার কানখাড়া হয়ে গেলো ! কেওখানে ?!মেয়েটা কি তবে ছেলের আগেইএসে বসে ছিলো এতক্ষণ?! দেখা দরকার।ছেলেটা উঠে ট্যাঙ্কির পিছনেরদিকে যেতে লাগলো ।খসখস শব্দটা আবার শোনা গেল ! ছাদেরফ্লোরে জুতার ঘষা খেলে যেমন শব্দ হয় ,ঠিকতেমনটি । যেন কেউ দ্রুতপায়ে ট্যাঙ্কির পেছনথেকে সরে যেতে চাইছে!!ছেলেটি উকি দিলো ঐ ট্যাঙ্কিরপেছনের জায়গায় ।পানি পড়তে পড়তে একটা স্যাঁতস্যাঁতেভাজায়গাটাতে । ছেলেরউত্তেজনা কমে গেলো ।সে কাউকে পাবার আশা করছিলসেখানে ।সেখানে কেউই ছিলোনা!!হঠাত্ ছেলেটার পিছনথেকে মেয়েলী কিন্তুঘড়ঘড়ে গলার একটা কন্ঠ বলে উঠলো ," এতক্ষণ পর এলে ? আমিসেই কখনথেকে তোমারজন্য বসে ছিলাম !!"পাই করে ছেলেটা ঘুরেতাকালো !একটা সাদা ঝলসানো মুখ তারদিকে তাকিয়ে আছে !চোখের জায়গায় চোখ নেই ! ঐজায়গা সাদা হয়ে আছে ! আর অনেক ছোটছোটা পোকা ঐখানে কিলবিল করছে !ঠিকএকটা পাউরুটির উপরএকমুঠো পিঁপড়া ছেড়ে দিলে যেমনটা দেখতেমনটা !ছেলেটার আর কিছু মনেনেই । সে জ্ঞানহারিয়ে ফেলে !সকালে জ্ঞান ফেরার পরছেলেটা দেখতে পেলো ,বাসার সকল মানুষ তারদিকে তাকিয়ে আছে । কাজেরবুয়া ছাদে কাপড়নাড়তে এসে ছেলেটাকে অচেতনদেখতে পেয়ে সবাইকে খবর দেয় ।ছেলেটা রাতেরঘটনা খুলে বলে সবাইকে ।মেয়েটাও উপস্থিত ছিলো । মেয়েটারাত ৯টা বাজে মেসেজ দেয়ারকথা অস্বীকারকরে এবং এও বলে যে ছাদে রাতে আসেইনি !তাহলে ছেলেটাকে মেসেজ কে দিলো ?!ছাদেইবা ঐটা কে ছিলো ?!ছেলে মোবাইল চেক করে।ইনবক্সে মেয়েটারপাঠানো সন্ধ্যার মেসেজের পর আর কোনমেসেজআসেনি !পরবর্তীতে অনেক ঝামেলার পরছেলেটারসাথে মেয়েটার বিয়ে হয় ।তারা প্রায়ই রাতেরবেলা ছাদে একসাথে হাতে হাতরেখে হাটে । ট্যাঙ্কিরসাইডে এলেই মেয়েটা মাঝে মাঝে একটুচঞ্চলহয়ে উঠে ! ছেলেটার হাত ধরে টানদিয়ে বলে ,"চলোনা ঐ ট্যাঙ্কির পিছনটাতে যাই ?!"ছেলেটা হাতটেনে ধরে রাখে । অনেক শক্ত করে !অজানা একআতংকে ! অচেনা এক ভয়ে !ভালোলাগলে জানাবেন ।
ভূতের গল্প | Horror Story
মাঝ রাতে দরজায় কড়া নাড়ারশব্দে ঘুম ভেঙ্গে গেলো। আমিবিরক্ত ভাব নিয়ে দরজা খুললাম।দরজা খুলেই বিস্মিত কণ্ঠে বললাম-আরে তুই? এতো রাতে? আকাশএকগাল হেসে বললো- দোস্তঅনেকদিন তোকে দেখি না।তোকে দেখতে ইচ্ছে হলো তাইচলে আসলাম। আজ রাতটা তোরসাথেই কাটাবো। আকাশ আমারছোট কালের বন্ধু। আমরা একইসাথে বড়হয়েছি। আমার বাসাথেকে ওর বাসা প্রায় দু-কিলোমিটারদূরে। অনেকদিন তার সাথেবিভিন্ন ব্যস্ততার জন্য দেখাকরতে পারি নাই। প্রায় একমাস হতে যাচ্ছে। আমার সাথেশুধু মাত্র দেখা করবার জন্যএতো রাতে সে চলে আসবে বাসায়তা ভাবতেই পারছি না। এই নাহলে বন্ধুত্ব। তুই কি বাহিরেইদাড়িয়ে থাকবি? ভিতরে আস?গল্পকরি দুই বন্ধু মিলে সারারাত।নারে দোস্ত ঘরে বসবো না। চলবাহির থেকে ঘুরে আসি। আমিঅবাক হয়ে বললাম- সে কিরে!এতো রাতে কোথায় যাবি? আর তুইএতো সাহসী হলী কবে থেকে?কিছুদিন আগেওনা সন্ধ্যার পর তুই ভূতেরভয়ে বাসার বাহির হতি না?এখন কি আর সেই দিন আছে!চল বাহিরে চল। আকাশ একগালহেসে উত্তর দিলো। আকাশে কিসুন্দর চাঁদ উঠেছে তাই নারে আকাশ?হু আচ্ছা তোর হয়েছি কি বলতো?আসবার পর থেকেই এতোচুপচাপকেন? আকাশ মৃদু হেসে বললো-না এমনিতেই। এখন থেকে ভাবছিএকাই থাকবো। সন্ধ্যার সময়ডিসিশন নিয়েছিলাম। সারারাতছিলামও একা। কিন্তু এখন খুববেশি ভয় করছিলো তাই তোকেডেকে নিয়ে আসলাম। আমিআবারো অবাক হয়ে বললাম-একা ছিলি, ভয় করছিলো এগুলোরমানে কি? তুই সারারাত কোথায়ছিলি? বাড়ির বাহিরে। কেন?বাসা থেকে কি তোকে বেরকরে দিয়েছে? নারে বাহির করেনাই। আর বাহির করবে কেন?আমি নিজেই বের হয়ে এসেছি।কেন? আকাশ আমার হাত ধরেবললো- দোস্ত আমার বাসায় একটুযাবি? আম্মু আমার জন্য খুবকাঁদছে। আম্মুকে একটু বলে দিয়েআসবি আমি ভালো আছি।খুব ভালো আছি। আমার জন্য যেনকান্নাকাটি না করে। আমি অবাকহয়ে বললাম- আমিতো তোরকথাবার্তা কিছুই বুঝতেছি না।কি সব বলছিস? বাসা থেকেকেন বের হয়ে এসেছিস। কিহয়েছে? চল তোকে বাসায়দিয়ে আসি?নারে দোস্ত আজকে আর বাসায়যাবো না। পরে আরেকদিন বাসায়যাবো। তুই একটু যাবি দোস্ত।আম্মু খুব কান্নাকাটি করছে।বলেই আকাশ আমাকেজরিয়ে ধরেকাদা শুরু করলো। এখন রাতসারে তিনটা। আমি আকাশেরবাসার সামনে দাড়িয়ে আছি।আকাশকে কিছুতেই আনা যায় নি।ওকে বলেছিলাম তুইগিয়ে আমার রুমে বসআমি খালাম্মাকে বলে দিয়ে আসছিআমার কাছে আছিস এবং ভালোআছিস। সে তাও করে নাই। রাস্তায়ইদারিয়ে আছে। আমি খালাম্মারসাথে কথা বলে বাহির হবার পরনাকি আমার সাথে আমার বাসায় যাবে।কি ঘটেছে কিছুই বুঝছি না। আকাশেরকান্নারজন্য বাধ্য হয়েই এতো রাতেআকাশের বাসায় আমার আসতে হয়েছে।আমি নিথর পাথর হয়ে দাড়িয়ে আছি।খালাম্মা আমাকে জরিয়ে ধরে অঝরধারায় কাঁদছেন। আমি খালাম্মাকেকি ভাবে শান্তনা দিবো বুঝতে পারছিনা।আমার কাছে সবকিছুএলোমেলো মনে হচ্ছে। পুরো বাড়িজুড়েই কান্নার শব্দ ভেসে বেড়াচ্ছে।বাড়িতে অনেক মানুষ। পুলিশএসে আকাশের লাশ নিয়ে যাচ্ছে।আজ সন্ধ্যায় আকাশ তাররুমে গলায় ফাঁস আটকিয়েআত্মহত্যা করেছে। আমারআস্তে আস্তে বোধশক্তি লোপপাচ্ছে। এ আমি কি শুনছি।আমি তাহলে এতক্ষণ কারসাথে ছিলাম? আকাশই তো তারবাসায় আমাকে আসতে বললো।আকাশের লাশটি পুলিশেরগাড়িতে তোলা হচ্ছে। শেষবারের মতো আকাশকে দেখলামআমি। আমার সমস্ত পৃথিবী দুলেউঠলো। মনে হচ্ছে সবকিছুদুলছে। চোখ এর সামনে থেকে সবাইআস্তে আস্তে দূরে সরে যাচ্ছে।আমি আসতে আসতে অন্ধকারএকটা জগতে হারিয়ে যাচ্ছি। দূরে কেযেন কান্না করছে। তার মাঝে কেযেন বলছে- আম্মুকে বলিস, আমিভালো আছি।
ভূতের গল্প | Horror Story
ঘটনাটি আমাদের গ্রামের
আমি রফিকুল ইসলাম। আমার বাড়ি দিনাজপুরে। সঙ্গত কারণে আমি গ্রামের নাম বলবনা। আমার গ্রামে একটি পালং গাছ আছে। দেখতে বট গাছের মতোই, কিন্তু জোর থাকেনা। সেই পালং গাছের নিচে এক বৃদ্ধ লোককে স্বর্নের হুক্কা খেতে দেখা যেত। গ্রামের অনেক মানুষই দেখেছে তাকে। কিন্তু সবাই জানে জায়গাটা হনটেড। ওখানে রাতের বেলা তো দুরের কথা, দিনেরবেলা সেখানে যেতে সবাই ভয় পায়। ওই পালং গাছের সাথে এক লোকের জমি ছিল। বিকেল বা সন্ধার দিকে ওই জায়গায় সে প্রায়ই যেত। তো একদিন তিনটা জীন তাকে তিনটা টাকার হাড়ি দেখায়। বলে তুমি যদি আমাদের দলেচলে আস তাহলে তোমাকেএই টাকা গুলো দেব। তো যথা রীতি সেই বেক্তি টাকার লোভে হোক আর এমনি হোক রাজি হয়ে যায়।
তো রাজি হওয়ার পরে তাকে আর জীন গুলো টাকা দেয় না। বিভিন্ন ভাবে আজ না কাল বলে ঘুরাতে থাকে। প্রায় এক মাস লোক টাকে ঘুরায় তারা।
তো লোকটা অবশেষে বিরক্ত হয়ে গ্রামের এক জনের কাছে শেয়ার করে যে কিভাবে আমি এই টাকা ঘুলো আনব ? এবং একটা জিনিস বলে রাখি লোকটা যখন জোর করে টাকার হাড়ি আনতেযেত তখন হাড়ি গুলো মাটির নিচে তলিয়ে যেত। সে কোন অবস্থাতেই টাকাগুলোআনতে পারতনা ।
গ্রামের লোকটা এডভাইজ দিলো যে, তুমি একটা কাজ কর, তুমি তিনটা গরুর হাড়সাথে নিয়ে যাবে। যদিতোমাকে টাকা দিতে নাচায় তাহলে তুমি হাড়িতিনটির উপরে গরুর হাড় ( হাড্ডি ) রেখে দিবে।
তো সেদিন সে টাকার হারি আনতে গেল। দুটিজীন রাজি হচ্ছিল, কিন্তু একটা জীন কিছুতেই রাজি হচ্ছিলনা। সে লোকটা কাপর থেকে হাড় তিনটিবের করে যথা রীতি হারি গুলুর উপরে রেখে দিল।
এইবার আগের বারের মতহারি গুলো নিচে তলিয়ে গেলনা। শুধু কাপতে থাকলো এবং জীনতিনটা গায়েব হয়ে গেল।
তো সে যথা রীতি আরাম করে হাড়ি তিনটি উঠিয়ে নিয়ে আসে এবং একটি ঝুপের ভিতর লুকিয়ে রাখে এবং বাড়ী চলে যায়। এরপর রাতে তিনি সেখানে আসে এবং হারি তিনটি নিয়ে নিজের ঘরের খাটের নিচে পুতে রাখে এবং তার স্ত্রীকে বলে জায়গাটা সুন্দর করে ভরাট করেদাও যেন কেও বুঝতে না পারে।
এরপরেরদিন একটি ঘটনা ঘটে। সেই লোকটাকোনো কারণে পাগল হয়েযায়। তখন গ্রাম বাসীতাকে সুস্থ্য করার জন্য একজন হজুর নিয়েআসে। তো সেই হজুরের একটা বিশেষ্য ছিল যেতার দুটি স্ত্রী ছিল। একটি স্ত্রী ছিল মানুষ। আর একটি ছিল জীনদের মেয়ে।
যথা রীতি সেই হজুর চলে আসে এসে একটি বালতি ( পনি রাখার পাত্র ) নেয়। সেই বালটিতে কিছু পানি নেয় এবং গ্রাম থেকে একজন লোক নেয়। সে লোকের ভালো করে চোখ বেধে বলে সেই পানিতেতাকাও। লোকটি চোখ বাধা অবস্থায় পানিতে তাকায়, আর তিনি সব দেখতে থাকে এবং সব বলে দেয় যে কিঘটেছিল।
তার পরে সেই হজুর বলে আপনারা কি কেও টাকা এনেছেন জীনের কাছ থেকে ? তখন তার স্ত্রী বলে যে আমরা টাকা আনিনি, অর্থাৎ সে অসীকার করে।
তখন গ্রামবাসী মনে করে হয়ত হজুরটা মিথ্যা বলছে। তো যাইহোক তখন সেই হজুরবলে আপনারা যদি আমাকে বিশ্বাস না করেন তাহলে আপনারা দশ জন আসেন।
আপনারা যদি এই বালতিটা উচা করতে পারেন তাহলে বুঝবেন আমি মিথ্যা বলছি। তোযথা রীতি দশ জন আসে বালটির ভিতরে বাশ ঢুকিয়ে দশ জনে উঠানোর চেষ্টা করে, কিন্তু উঠাতে পারেনা।
তখন হজুর বলে আমি সেই জীন গুলো ধরতে চেষ্টা করতেছি। হয়ত আমি জীনদের ধরতে পারবনা। তখন দেখা গেল ঘরের ভিতরে অনেককিছু ছিল, যেমন ধান আরো কিছু জিনিস পত্রউড়ে উড়ে বাহিরে পড়তেছে একটি নির্দিষ্ট জায়গার ভিতরে।
অবশেসে ঘরটা শান্ত হয়ে গেল। তখন হজুর বললো, আমি ঘরটা শান্ত করে দিয়েছি। কিন্তু টাকা ফিরত দেয়া না পর্যন্ত ওরাছাড়বেনা। যদি টাকা নিয়ে থাকেন ফিরত দেন। এরপর হজুর কে বিদেয় দেয়া হলো
হজুরকে বিদায় দেয়ার পরে ওই লোকটা সম্পূর্ণ রূপে পাগল। লোকটির স্ত্রী কিছু কিছু টাকা নিয়ে গ্রামে জমি কিনতে থাকে।
তখন গ্রামে মানুষ তাকে বলে তোমরা হত দরিদ্র, তোমরা জমি কেনার টাকা পাও কোথায়? তখন লোকটির স্ত্রী বলে আমার ভাইয়ের কাছ থেকে, আরো আত্মীয় সজনের কাছ থেকে ধার নিয়ে জমি কিনলাম।
তারা রাতা রাতি অনেকবড়লোক হয়ে যায়।
সেই পাগল থাকা লোকটিবাড়ির বাহিরে দড়ি দিয়ে বাধা ছিল। উত্তর অঞ্চলে যারা ছিলেন তারা হয়ত জানেন সেই খানে বৃষ্টির সময় উপর থেকে গোল্ডেন কালারে সাপ পরে। গাছথেকেই হোক বা যেখান থেকেই হোক সাপ গুলো বিষাক্ত, কিন্তু কাওকে সে ছুবল দেয়না।
সেই লোকটা যখন বাধা ছিল তখন একটা সাপ উপর থেকে পরতেছিল। সেই লোকটা তখন বাধন ছিড়ে গিয়ে দৌড় দিয়ে একটা সাপ মাথা ছিড়ে পুরোটা খেয়ে ফেলে।
এর একসপ্তাহ পরে লোকটি মারা যায়।
অনেকের ধারনা যে লোকটিকে সেই গাছ তলাতে হুকা খেতে দেখা যায় সে আর কেউ নয়, সে ওই পাগল লোকটিই।
আমি রফিকুল ইসলাম। আমার বাড়ি দিনাজপুরে। সঙ্গত কারণে আমি গ্রামের নাম বলবনা। আমার গ্রামে একটি পালং গাছ আছে। দেখতে বট গাছের মতোই, কিন্তু জোর থাকেনা। সেই পালং গাছের নিচে এক বৃদ্ধ লোককে স্বর্নের হুক্কা খেতে দেখা যেত। গ্রামের অনেক মানুষই দেখেছে তাকে। কিন্তু সবাই জানে জায়গাটা হনটেড। ওখানে রাতের বেলা তো দুরের কথা, দিনেরবেলা সেখানে যেতে সবাই ভয় পায়। ওই পালং গাছের সাথে এক লোকের জমি ছিল। বিকেল বা সন্ধার দিকে ওই জায়গায় সে প্রায়ই যেত। তো একদিন তিনটা জীন তাকে তিনটা টাকার হাড়ি দেখায়। বলে তুমি যদি আমাদের দলেচলে আস তাহলে তোমাকেএই টাকা গুলো দেব। তো যথা রীতি সেই বেক্তি টাকার লোভে হোক আর এমনি হোক রাজি হয়ে যায়।
তো রাজি হওয়ার পরে তাকে আর জীন গুলো টাকা দেয় না। বিভিন্ন ভাবে আজ না কাল বলে ঘুরাতে থাকে। প্রায় এক মাস লোক টাকে ঘুরায় তারা।
তো লোকটা অবশেষে বিরক্ত হয়ে গ্রামের এক জনের কাছে শেয়ার করে যে কিভাবে আমি এই টাকা ঘুলো আনব ? এবং একটা জিনিস বলে রাখি লোকটা যখন জোর করে টাকার হাড়ি আনতেযেত তখন হাড়ি গুলো মাটির নিচে তলিয়ে যেত। সে কোন অবস্থাতেই টাকাগুলোআনতে পারতনা ।
গ্রামের লোকটা এডভাইজ দিলো যে, তুমি একটা কাজ কর, তুমি তিনটা গরুর হাড়সাথে নিয়ে যাবে। যদিতোমাকে টাকা দিতে নাচায় তাহলে তুমি হাড়িতিনটির উপরে গরুর হাড় ( হাড্ডি ) রেখে দিবে।
তো সেদিন সে টাকার হারি আনতে গেল। দুটিজীন রাজি হচ্ছিল, কিন্তু একটা জীন কিছুতেই রাজি হচ্ছিলনা। সে লোকটা কাপর থেকে হাড় তিনটিবের করে যথা রীতি হারি গুলুর উপরে রেখে দিল।
এইবার আগের বারের মতহারি গুলো নিচে তলিয়ে গেলনা। শুধু কাপতে থাকলো এবং জীনতিনটা গায়েব হয়ে গেল।
তো সে যথা রীতি আরাম করে হাড়ি তিনটি উঠিয়ে নিয়ে আসে এবং একটি ঝুপের ভিতর লুকিয়ে রাখে এবং বাড়ী চলে যায়। এরপর রাতে তিনি সেখানে আসে এবং হারি তিনটি নিয়ে নিজের ঘরের খাটের নিচে পুতে রাখে এবং তার স্ত্রীকে বলে জায়গাটা সুন্দর করে ভরাট করেদাও যেন কেও বুঝতে না পারে।
এরপরেরদিন একটি ঘটনা ঘটে। সেই লোকটাকোনো কারণে পাগল হয়েযায়। তখন গ্রাম বাসীতাকে সুস্থ্য করার জন্য একজন হজুর নিয়েআসে। তো সেই হজুরের একটা বিশেষ্য ছিল যেতার দুটি স্ত্রী ছিল। একটি স্ত্রী ছিল মানুষ। আর একটি ছিল জীনদের মেয়ে।
যথা রীতি সেই হজুর চলে আসে এসে একটি বালতি ( পনি রাখার পাত্র ) নেয়। সেই বালটিতে কিছু পানি নেয় এবং গ্রাম থেকে একজন লোক নেয়। সে লোকের ভালো করে চোখ বেধে বলে সেই পানিতেতাকাও। লোকটি চোখ বাধা অবস্থায় পানিতে তাকায়, আর তিনি সব দেখতে থাকে এবং সব বলে দেয় যে কিঘটেছিল।
তার পরে সেই হজুর বলে আপনারা কি কেও টাকা এনেছেন জীনের কাছ থেকে ? তখন তার স্ত্রী বলে যে আমরা টাকা আনিনি, অর্থাৎ সে অসীকার করে।
তখন গ্রামবাসী মনে করে হয়ত হজুরটা মিথ্যা বলছে। তো যাইহোক তখন সেই হজুরবলে আপনারা যদি আমাকে বিশ্বাস না করেন তাহলে আপনারা দশ জন আসেন।
আপনারা যদি এই বালতিটা উচা করতে পারেন তাহলে বুঝবেন আমি মিথ্যা বলছি। তোযথা রীতি দশ জন আসে বালটির ভিতরে বাশ ঢুকিয়ে দশ জনে উঠানোর চেষ্টা করে, কিন্তু উঠাতে পারেনা।
তখন হজুর বলে আমি সেই জীন গুলো ধরতে চেষ্টা করতেছি। হয়ত আমি জীনদের ধরতে পারবনা। তখন দেখা গেল ঘরের ভিতরে অনেককিছু ছিল, যেমন ধান আরো কিছু জিনিস পত্রউড়ে উড়ে বাহিরে পড়তেছে একটি নির্দিষ্ট জায়গার ভিতরে।
অবশেসে ঘরটা শান্ত হয়ে গেল। তখন হজুর বললো, আমি ঘরটা শান্ত করে দিয়েছি। কিন্তু টাকা ফিরত দেয়া না পর্যন্ত ওরাছাড়বেনা। যদি টাকা নিয়ে থাকেন ফিরত দেন। এরপর হজুর কে বিদেয় দেয়া হলো
হজুরকে বিদায় দেয়ার পরে ওই লোকটা সম্পূর্ণ রূপে পাগল। লোকটির স্ত্রী কিছু কিছু টাকা নিয়ে গ্রামে জমি কিনতে থাকে।
তখন গ্রামে মানুষ তাকে বলে তোমরা হত দরিদ্র, তোমরা জমি কেনার টাকা পাও কোথায়? তখন লোকটির স্ত্রী বলে আমার ভাইয়ের কাছ থেকে, আরো আত্মীয় সজনের কাছ থেকে ধার নিয়ে জমি কিনলাম।
তারা রাতা রাতি অনেকবড়লোক হয়ে যায়।
সেই পাগল থাকা লোকটিবাড়ির বাহিরে দড়ি দিয়ে বাধা ছিল। উত্তর অঞ্চলে যারা ছিলেন তারা হয়ত জানেন সেই খানে বৃষ্টির সময় উপর থেকে গোল্ডেন কালারে সাপ পরে। গাছথেকেই হোক বা যেখান থেকেই হোক সাপ গুলো বিষাক্ত, কিন্তু কাওকে সে ছুবল দেয়না।
সেই লোকটা যখন বাধা ছিল তখন একটা সাপ উপর থেকে পরতেছিল। সেই লোকটা তখন বাধন ছিড়ে গিয়ে দৌড় দিয়ে একটা সাপ মাথা ছিড়ে পুরোটা খেয়ে ফেলে।
এর একসপ্তাহ পরে লোকটি মারা যায়।
অনেকের ধারনা যে লোকটিকে সেই গাছ তলাতে হুকা খেতে দেখা যায় সে আর কেউ নয়, সে ওই পাগল লোকটিই।
ভূতের গল্প | Horror Story
১৭ এপ্রিল,২০১০। রাত ১১ টায় ফোন আসে আম্মা খুব ই অসুস্থ, আমাকে দেখতে চান । আমি মেসে থাকি । এত রাতে কিভাবে যাব। তবুও রওনা দিলাম। বাসের দেখা মেলে না । শেষে ১টা ট্রাকে চড়ে রওনা দিলাম। যখন আমাদের গ্রামের রাস্তায় নামলাম তখন ঘড়িতে ১:৪৫ ।
একটা ভ্যানগাড়ি ও দেখতে পেলাম না। এখান থেকে হেটে যেতে লাগবে কমপক্ষে ১ ঘন্টা লাগবে। কি আর করি হাটতে শুরু করলাম।আমি খুব ভীতু। কিন্তু সেদিন ওসব ভয়ের কথা মনেই ছিল না। আম্মাকে নিয়ে দুশ্চিন্তা করতেছি আর হাটতেছি। হঠাত্ আমার মনে হল আমার পিছনে কেউ আছে।কিন্তু দেখার সাহস পাচ্ছিনা।তখন আমার ভয় লাগতে শুরু করল।মোবাইল বের করে বাড়িতে কল দিতে লাগলাম, কিন্তু বারবার নেটওয়ার্ক ফেল দেখাতে লাগল। চেনাজানা অনেককেই কল দিলাম একই অবস্থা। তখন আমার ভয় আরও কয়েক গুন বেড়ে গেল। তবুও পিছনে না তাকিয়ে হাটতে লাগলাম। কিন্তু যতই আমি সামনে যাই ততই রাস্তা আমার কাছে অচেনা মনে হতে থাকে। হঠাত্ সামনে রাস্তার পাশে একটা বিরাট গাছ দেখতে পাই কিন্তু এখানে তো কোন গাছ ছিল না। আল্লাহ আল্লাহ করতেছি, দেখি গাছ
থেকে একটা লোক ফাসি দেয়া অবস্থায় ঝুলতেছে। আমি চিত্কার দিয়ে উঠলাম এবং দৌড় শুরু করলাম। কিন্তু আমি কোথায় যাচ্ছি, রাস্তা অচেনা লাগছে কেন। হঠাত্সা মনে একটি মেয়েকে দেখতে পেলাম। একটু সাহস পেলাম। কিন্তু এত রাতে একা একটি মেয়ে এখানে কি করে। জিগ্গেস করতেই মেয়েটি রাস্তার পার্শ্বের জমিতে নেমে অদৃশ্য হয়ে গেল। সাথে সাথে আমি সেন্সলেস হয়ে যাই। যখন আমি জাগা পাই দেখি আমার দুই পার্শ্বে সাদা লম্বা কাপড় পরা লম্বা দাড়িওয়ালা দুই লোক বসে আছেন। কেন জানিনা আমি সঙ্গে সঙ্গে কেঁদে উঠলাম এবং তাদেরকে সব খুলে বললাম। তখন তারা দুইজন আমাকে বাড়ি পর্যন্ত পৌঁছে দেন। বাড়িতে যখন পৌঁছি তখন ৩ টার মতো বাজে । আম্মা একটু সুস্হ্য , ঘুমাচ্ছেন। আমি আব্বার সাথে একটু কথা বলে ঘুমাতে গেলাম। কিছুক্ষণ পর আমাদের টিনের চালে ঢিল পরা শুরু হল। সবাই ঘুম থেকে জাগা পেল এবং ভয় পেয়ে সবাই আব্বার রুমে এসে উপস্থিত হল। ফজরের আযান পর্যন্ত ঢিল পড়েছিল। সকালে আমার আব্বা একজন হুজুরকে আনেন এবং ঐ হুজুর আমাদের বাড়ি বন [বন্ধ ]করে দেন । এরপর আর কোন সমস্যা হয় নি।
একটা ভ্যানগাড়ি ও দেখতে পেলাম না। এখান থেকে হেটে যেতে লাগবে কমপক্ষে ১ ঘন্টা লাগবে। কি আর করি হাটতে শুরু করলাম।আমি খুব ভীতু। কিন্তু সেদিন ওসব ভয়ের কথা মনেই ছিল না। আম্মাকে নিয়ে দুশ্চিন্তা করতেছি আর হাটতেছি। হঠাত্ আমার মনে হল আমার পিছনে কেউ আছে।কিন্তু দেখার সাহস পাচ্ছিনা।তখন আমার ভয় লাগতে শুরু করল।মোবাইল বের করে বাড়িতে কল দিতে লাগলাম, কিন্তু বারবার নেটওয়ার্ক ফেল দেখাতে লাগল। চেনাজানা অনেককেই কল দিলাম একই অবস্থা। তখন আমার ভয় আরও কয়েক গুন বেড়ে গেল। তবুও পিছনে না তাকিয়ে হাটতে লাগলাম। কিন্তু যতই আমি সামনে যাই ততই রাস্তা আমার কাছে অচেনা মনে হতে থাকে। হঠাত্ সামনে রাস্তার পাশে একটা বিরাট গাছ দেখতে পাই কিন্তু এখানে তো কোন গাছ ছিল না। আল্লাহ আল্লাহ করতেছি, দেখি গাছ
থেকে একটা লোক ফাসি দেয়া অবস্থায় ঝুলতেছে। আমি চিত্কার দিয়ে উঠলাম এবং দৌড় শুরু করলাম। কিন্তু আমি কোথায় যাচ্ছি, রাস্তা অচেনা লাগছে কেন। হঠাত্সা মনে একটি মেয়েকে দেখতে পেলাম। একটু সাহস পেলাম। কিন্তু এত রাতে একা একটি মেয়ে এখানে কি করে। জিগ্গেস করতেই মেয়েটি রাস্তার পার্শ্বের জমিতে নেমে অদৃশ্য হয়ে গেল। সাথে সাথে আমি সেন্সলেস হয়ে যাই। যখন আমি জাগা পাই দেখি আমার দুই পার্শ্বে সাদা লম্বা কাপড় পরা লম্বা দাড়িওয়ালা দুই লোক বসে আছেন। কেন জানিনা আমি সঙ্গে সঙ্গে কেঁদে উঠলাম এবং তাদেরকে সব খুলে বললাম। তখন তারা দুইজন আমাকে বাড়ি পর্যন্ত পৌঁছে দেন। বাড়িতে যখন পৌঁছি তখন ৩ টার মতো বাজে । আম্মা একটু সুস্হ্য , ঘুমাচ্ছেন। আমি আব্বার সাথে একটু কথা বলে ঘুমাতে গেলাম। কিছুক্ষণ পর আমাদের টিনের চালে ঢিল পরা শুরু হল। সবাই ঘুম থেকে জাগা পেল এবং ভয় পেয়ে সবাই আব্বার রুমে এসে উপস্থিত হল। ফজরের আযান পর্যন্ত ঢিল পড়েছিল। সকালে আমার আব্বা একজন হুজুরকে আনেন এবং ঐ হুজুর আমাদের বাড়ি বন [বন্ধ ]করে দেন । এরপর আর কোন সমস্যা হয় নি।
ভূতের গল্প | Horror Story
ঘটনাটি ২০০৪ সালের। তখনকার ঈদেরছুটি কাটাতে আমি আমার ফ্যামিলি সহ নানুরবাড়িতে বেড়াতে যাই। জায়গাটি নেত্রকোনারকলমাকান্দায়।তো ঈদের দিন মামারসাথে সিনেমা দেখে বাড়ি ফিরছিলাম। রাতআনুমানিক ১১:৩০।মামার নোকিয়া ক্লাসিক ১১০০ সেট এর টর্চদিয়ে আমরা বাড়ি ফিরছিলাম।তো হঠাৎ মামার মোবাইলের চার্জ শেষহয়ে গেল।এখানে বলে রাখছি, যে আমারদেরবাড়িতে যেতে হলে বিশাল একটা মাঠ পারহয়ে যেতে হয়। মাঠের পাশেই বিশাল খাল।তো রাস্তা দিয়ে যেতে হলে মাঠঘুরে যেতে হয়। মানে দ্বিগুণ খাটুনি। তাইমামাকে বল্লাম মাঠের মাঝখান দিয়েই যেতে।আমরা ভয়ে ভয়ে মাঠটি পার হতে লাগলাম।মাঠের কোনায় ছিল একটি পরিত্যাক্তকুঁড়েঘর। কথিত আছে ২০বছর আগে ওইঘরে স্বামীস্ত্রী একসাথে খুন হয়েছিল।এবং মাঝে মাঝে ওই ঘরথেকে আলো দেখা যেত। যদিও ওইঘরে কারেন্ট এর ব্যবস্থা ছিল না!আমরা প্রায় মাঠের শেষের দিকে আসছিলাম।আর সেখানেই রয়েছে বড় বড় সুপারী গাছ।হঠাৎ আমি দেখলাম যে মাঝখানের গাছেরআঁগায় একটি মেছের কাঠির জ্বালিয়ে কেউযদি উপুর করে ধরে রাখে তাহলে যেমন শেপধারণ করে সেই রকম ভাবে আগুন জ্বলছে।তো আমি ভাবলাম কি না কি হয়েছে।মামাকে বললাম যে, মামা দেখ ত ওটা কি।মামা বুঝেছিল যে আসলে ওটা কি। তবুওআমি ভয় পাব বলে আমাকে বললেনযে ওটা আসলে আগুনই।যাতে সুপারি চুরি না হয়ে যায় তাই ওইরকমকরা হয়েছে।ঠিক মিনিট কয়েক পর কোথা থেকে যেনএকটি ঘোমটা পড়া মেয়ে এসে আমাদেরসামনের গাছের নিচে বসে বসে কাঁদতে লাগল।আমাদের এই অবস্থা দেখে মেয়েটারপ্রতি খুবই মায়া লাগল। তো মামা আরআমি মেয়েটার কাছে যেতে লাগলাম।আমি তখন মামার কোলে। কিন্তু মজারব্যাপার হল যে মেয়েটার যতইকাছে যাচ্ছি মেয়েটি ততই দূরে যাচ্ছে।মানে আমাদের মাঝখানের দূরত্ব আরকমে না। যেতে যেতে আমরা প্রায় ওইকুড়েঁ ঘরের কাছে এসে পড়লাম। আরমেয়েটি ঘরের ভেতরে গিয়ে মিলিয়ে গেল আরবিদ্যুৎ এর বিজলীর মতআলো জ্বলতে লাগলো। আমাদের আরবুঝতে বাকী রইল না যে আমাদেরসাথে কি ঘটতেছে।আমাকে কোলে নিয়েই মামা এমনজোড়ে দৌড় দিলেন যে বলার মত না।প্রায় ১৫-২০মিনিট দৌড়ানোর পরআমরা নানার বাড়িতে এসে পড়লাম।নানা আমাদের খোঁজে বেড়িয়েছিলেন।তো নানা দেখলেন যে মামার গাঁ গরমকরে জ্বর আসছে। তারপর আর কি।নানা-নানীকে সব কিছু আমিই খুলে বললাম।অতপর মামাকে লবণ মেশানো গরমপানি দিয়ে গোসল করিয়ে কবিরাজদিয়ে চিকিৎসা করিয়ে ভাল করে তুলল।গত সপ্তাহেও মামাকে দেখে এলাম।তিনি কেমন জানি চুপচাপ হয়ে আছেন এইকতগুলো বছর। আগে সবসময়হাসিখুশি থাকতেন।আমার কাছে এই ঘটনাটির কোনব্যাখ্যা নেই। আপনাদেরকাছে কি আছে।?????
Subscribe to:
Posts (Atom)